১৫ বছরে ৭০ হাজার শিক্ষার্থীকে স্বাবলম্বী করা হয়েছে: ক্রিয়েটিভ আইটি

প্রকাশিত: ১২:১৭ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৪

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক রিপোর্টঃ
স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে তরুণ প্রজন্মকে তথ্য-প্রযুক্তিতে বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ প্রদানে অন্যতম ক্রিয়েটিভ আইটি ইন্সটিটিউট। সম্প্রতি প্রশিক্ষণের ১৫ বছর পূর্ণ করল প্রতিষ্ঠানটি। ব্লকচেইন টেকনোলজি, অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস, ডিজিটাল মার্কেটিং, ওয়েব ডিজাইন, ডেভেলপমেন্টসহ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির জন্য প্রয়োজনীয় আপডেটেড সব বিষয় নিয়ে কাজ করা এই আইটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান থেকে ১৫ বছরে ৭০ হাজার শিক্ষার্থী স্বাবলম্বী হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

গত ৫ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০০৮ সালে ছোট পরিসরে শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি আজ মেইন ক্যাম্পাস ছাড়াও ঢাকার উত্তরা ও চট্টগ্রামে বড় পরিসরে কাজ করছে। ২০১৬ সালে ক্রিয়েটিভ আইটির একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ক্রিয়েটিভ-ই-স্কুল এর যাত্রা শুরু হয়। যার মাধ্যমে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে দেশের সীমা ছাড়িয়ে ২০টির অধিক প্রশিক্ষণ দিয়ে স্বাবলম্বী হতে সহায়তা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। নামমাত্র শিক্ষার্থীকে সঙ্গে নিয়ে যাত্রা শুরু করে এই প্রতিষ্ঠানটি এরই মধ্যে ৭০ হাজারেরও অধিক শিক্ষার্থী সফলভাবে প্রশিক্ষণ দিয়েছে, যারা কাজ করছেন মার্কেটপ্লেসে। করোনাকালীন সময়েও প্রায় ছয় হাজারের বেশি শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে দিয়েছে এই প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা যে শুধু প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন তা নয়, এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সফলভাবে ক্যারিয়ার প্লেসমেন্ট ডিপার্টমেন্টের সহায়তায় পাচ্ছেন চাকরির সুযোগ। ঘরে বসে স্বাবলম্বী হচ্ছেন নারীরাও।

ক্রিয়েটিভ আইটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মনির হোসেন বলেন, ‘আমার ইচ্ছা দেশের তরুণ-প্রজন্মকে আইটিতে দক্ষ করে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা এবং ক্রিয়েটিভ আইটি ইন্সটিটিউটকে বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত করা, এবং তারই হাত ধরে ক্রিয়েটিভ বিজনেস গ্রুপের ছত্রছায়ায় একে একে ১২টি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সফলতার সঙ্গে কাজ করছে বিশ্ববাজারে।’ তিনি বলেন, ‘নারী-পুরুষ বৈষম্যহীন কর্ম পরিবেশে পাঁচ শতাধিক অধিক দক্ষ ও যোগ্য কর্মকর্তা-কর্মচারীর সমন্বয়ে পরিচালিত হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। ক্রিয়েটিভ আইটি দক্ষ জনশক্তি তৈরির আঁতুরঘর। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মার্কেটে দক্ষ জনশক্তির অভাব বরাবরই, মান সম্পন্ন প্রশিক্ষণ প্রদান করে সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।’