বুধবার থেকে আবার শুরু ‘দিল্লি চলো’ রোডমার্চ

প্রকাশিত: ৪:৩৭ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক রিপোর্টঃ 

ডাল, তুলা বা ভুট্টা চাষে সরকারের দেওয়া প্রস্তাবগুলো নাকচ করে আবারও দিল্লি অভিমুখে রোডমার্চ করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ। এত দিন বন্ধ থাকা ‘দিল্লি চলো’ অভিযান ্আগামীকাল বুধবার থেকে আবার শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তারা।কেন্দ্রীয় সমবায় সংস্থাগুলি কৃষকদের থেকে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে (এমএসপি) পাঁচ বছরের জন্য বেশ কয়েকটি ফসল কিনবে। গতকাল গভীর রাত পর্যন্ত চলা চতুর্থ দফার বৈঠকে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে কৃষক সংগঠনগুলিকে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল রাতে কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল, কৃষি ও কৃষককল্যাণ মন্ত্রী অর্জুন মুন্ডা এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই বৈঠকে বসেন কৃষক নেতাদের সঙ্গে।বৈঠকের পরে পীযূষ জানিয়েছেন, সরকারের তরফে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, এনসিসিএফ, নাফেডের মতো সমবায় সংস্থা কৃষকদের থেকে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে ডাল, ভুট্টা কেনার জন্য পাঁচ বছরের চুক্তি করতে পারে। কটন কো-অপারেশন অব ইন্ডিয়াও পাঁচ বছরের জন্য একই রকম চুক্তি করতে পারে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে তুলো কেনার জন্য।

আজ কেন্দ্রের প্রস্তাব নিয়ে বৈঠকে বসেন কৃষক নেতারা। সেখানে ওই প্রস্তাব কার্যত খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। কৃষক সংগঠনগুলির যৌথ মঞ্চ সংযুক্ত কিসান মোর্চা আজ বিকেলে ওই প্রস্তাবের তীব্র সমালোচনা করে বলেছে, কেন্দ্রকে সমস্ত (মোট ২৩টি) ফসল ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে কিনতে হবে। ২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহারেও সেই প্রতিশ্রুতি ছিল। আলোচনায় কেন্দ্রের তরফে স্বচ্ছতার অভাব ছিল বলেও মত কৃষক নেতাদের।

কিসান মজদুর মোর্চার নেতা সারওয়ান সিং পানধের পাঞ্জাব-হরিয়ানা সীমান্তের শম্ভু পয়েন্টে দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের জানান, ‘আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই আমাদের সমস্যাগুলোর সমাধান করতে অথবা ব্যারিকেড সরিয়ে দিতে, যাতে আমরা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের মাধ্যমে দিল্লির দিকে আগাতে পারি।’ গত ১২ ফেব্রুয়ারি তারিখে দিল্লি চলো রোডমার্চ শুরুর একদিন পর নিরাপত্তা কর্মকর্তারা বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কৃষকদের পাঞ্জাব-হরিয়ানা সীমান্তে আটকে দেয়। এরপর থেকে সীমান্তেই অবস্থান করছেন কৃষকরা।