পারফিউম এবং ডিওডোরেন্টের পার্থক্য কী জানেন?

প্রকাশিত: ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ, জুন ২৯, ২০২৪

লাইফস্টাইল ডেস্ক:

সুগন্ধি কেবল ঘামের গন্ধই দূর করে না, পাশাপাশি প্রকাশ করে ব্যক্তিত্বকেও। পছন্দের পারফিউম কিংবা ডিওডোরেন্ট আপনাকে দিনভর রাখতে পারে সতেজ। পারফিউম কিংবা ডিওডোরেন্টের ব্যবহার একই হলেও জিনিস দুটির পার্থক্য রয়েছে।

পারফিউমে ১৫-৩০ শতাংশ অপরিহার্য তেল থাকে, যা এটির গন্ধ দীর্ঘস্থায়ী করে। আর ডিওডোরেন্টে এসেনশিয়াল অয়েলের পরিমাণ থাকে ১-২ শতাংশ। তাই পারফিউমের গন্ধ বেশিক্ষণ থাকে। তবে ডিওডোরেন্টে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এজেন্ট এবং সুগন্ধি থাকে যা ঘামের গন্ধ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

সুগন্ধির দিক থেকে, পারফিউম ডিওডোরেন্টের চেয়ে শক্তিশালী এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়। ডিওডোরেন্টের সুগন্ধ সাধারণত ৪ ঘণ্টা স্থায়ী হলে পারফিউমের সুগন্ধ প্রায় ১২ ঘণ্টা স্থায়ী হতে পারে। তবে এটি কীভাবে প্রয়োগ করা হয় তার উপরও নির্ভর করে।

পারফিউম এবং ডিওডোরেন্ট ব্যবহারের কিছু টিপস জেনে নিন।

পোশাকের উপর ডিওডোরেন্ট লাগাবেন না। এতে পোশাক নষ্ট হবে। ডিওডোরেন্ট শরীরে স্প্রে করুন। গন্ধ থাকবে অনেকক্ষণ। পারফিউম পোশাকে দিতে পারেন। তবে গলায়, হাতের কনুই-এর নীচে এবং বাহুমূলে দিতে ভুলবেন না।
যেসব জায়গায় অতিরিক্ত ঘাম হয় যেমন আন্ডারআর্মে ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করা উচিত।
গোসলের পর পরই ব্যবহার করুন সুগন্ধি। গোসলের পর ত্বক পরিষ্কার ও ভেজা থাকে। লোমকূপগুলোও থাকে ময়লামুক্ত। ফলে এসময় ব্যবহার করলে ত্বক ভালোভাবে সুগন্ধি শোষণ করে নিতে পারে।
ত্বকে ময়েশ্চারাইজার মেখে এরপর সুগন্ধি স্প্রে করুন। অনেকক্ষণ পর্যন্ত সুগন্ধ থাকবে।
দীর্ঘক্ষণ সৌরভ ধরে রাখতে কবজির ত্বকে স্প্রে করে নিন সুগন্ধি। শরীরের এই অংশে রক্তনালিগুলো ত্বকের সবচাইতে কাছাকাছি থাকে। ফলে জায়গাটা বেশ উষ্ণ থাকে, যা সুগন্ধিকে অনেকক্ষণ টিকে থাকতে সাহায্য করে।