ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে পৃথক দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত

প্রকাশিত: ৫:২৪ অপরাহ্ণ, মার্চ ৬, ২০২০

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জ অংশে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৬ মার্চ) ভোররাত ৩টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার রামপুরে যাত্রীবাহী বাস এবং মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ছয় জন নিহত হন। অন্যদিকে সকালে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগায় মাইক্রোবাসের ১০ যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন।

 

খাটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাইনুল ইসলাম ও ফায়ার সার্ভিসের বরাত দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি জানান, সুনামগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী লিমন পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাসের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ থেকে সিলেটগামী একটি নোয়াহ মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর মাইক্রোবাসটিতে আগুন ধরে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই দগ্ধ হয়ে পাঁচ জন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে আহত আরও একজন নিহত হন।

নিহতরা হলেন, মাইক্রোবাস চালক সোহান মিয়া (২০), আবুল মিয়ার ছেলে সাগর মিয়া (২২), হারুন মিয়া (৪০), মধু মিয়ার ছেলে শাহীন (২৫), রিফাত (১৬) এবং তাওলাদ মিয়ার ছেলে ঈমন (১৩)। দুর্ঘটনায় আহতরা হলেন, জিসান (২৪), শাহীন (৩০), আরিফ (১৮) ও বিজয় হোসেন (১৯)। তাদের সবার বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর উপজেলার দেউলীসহ বিভিন্ন গ্রামে। আহতদের প্রাথমিকভাবে হবিগঞ্জের মাধবপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকে আহত ও দগ্ধদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক খান মোহাম্মদ রিয়াজ।

অন্যদিকে, শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি এরশাদুল হকের বরাত দিয়ে হবিগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, সকালে ঢাকা থেকে সিলেটগামী একটি হাইয়েছ মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নবীগঞ্জ উপজেলার কান্দিগাঁও এলাকায় সড়কের পাশের একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মাইক্রোর আট যাত্রী নিহত হন।  খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা আহত চার জনকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। হাসপাতালে নেওয়ার পর পরবর্তীতে আরও দুই জনের মৃত্যু হয়।

 

নিহতের মধ্যে আট জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন- নারায়ণগঞ্জের পাগলা এলাকার আইএফসিআই ব্যাংকের কর্মচারী আব্বাছ উদ্দিন, তার ছেলে ইমন (২৭) ও রাব্বি (২৪), নিকট আত্মীয় মহসিন (৩০), রাজিব (২৮), সুমনা (৩৪), শিশু খাদিজা ও বরিশালের চাঁদপাড়া এলাকার আসমা আক্তার (৩০)।