কাউন্সিলর পদে বহু বিতর্কিত মুখ

প্রকাশিত: ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ৭, ২০২০

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও  জাতীয় পার্টির সমর্থন দেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে অনেকেই বিতর্কিত। ক্যাসিনোকাণ্ডসহ টেন্ডারবাজি, ফুটপাত থেকে শুরু করে নানা ধরনের চাঁদাবাজি, জমি দখল, বাড়ি দখল, প্রতিপক্ষের ওপর আঘাত, সরকারি জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মাণ, মাদক বিক্রিতে সহায়তা, সন্ত্রাসী লালনসহ নানা অপরাধের অভিযোগ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে। আবার আওয়ামী লীগের সমর্থন না পেয়ে ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া বেশ কয়েকজনও রয়েছেন বিতর্কিতদের তালিকায়।

বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্য ও অনুসন্ধানে এসব প্রার্থীর বিভিন্ন ধরনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের চিত্র পাওয়া গেছে। ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের সময়ে বিতর্কিত এই ব্যক্তিদের একটি বড় অংশ গাঢাকা দিয়েছিল। অভিযান থমকে যাওয়ার পর এরা ফের স্বমূর্তিতে আর্বিভূত হয়েছে।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, উত্তর ও দক্ষিণে আওয়ামী লীগের সমর্থন পাওয়া ১৮ জন কাউন্সিলর প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ অনেক। আবার আওয়ামী লীগের সমর্থন না পেলেও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, এমন দুজনকে ঘিরেও রয়েছে বিতর্ক।

 

বিএনপির সমর্থন পাওয়া তিনজনের বিরুদ্ধে রয়েছে নানা অভিযোগ। জাতীয় পার্টির সমর্থনে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হয়েছেন, এমন এক নেতা ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের সময়ে পালিয়ে ছিলেন সিঙ্গাপুরে।

 

 

উত্তরে আওয়ামী লীগের বিতর্কিতরা

৩০ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের সমর্থন পেয়েছেন আবুল হাসেম হাসু। ২০১২ সালের ১৪ নভেম্বর আদাবর থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ মাহমুদকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টাসহ একাধিক সন্ত্রাসী ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে হাসুর বিরুদ্ধে। এসব ঘটনায় হাসুকে মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতির পদ থেকে বহিষ্কারও করা হয়েছিল। হাসুর ভাই আবুল কাশেম কাসুসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলাও হয়েছিল। বায়তুল আমান হাউজিংয়ের জমি দখল  করে বিপণিবিতান নির্মাণ থেকে শুরু করে প্রায় অর্ধশত সাধারণ মানুষের জমি ও বাড়ি দখলের অভিযোগ রয়েছে এই প্রার্থীর বিরুদ্ধে।

 

২৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী করা হয়েছে ফোরকান হোসেনকে। দরিদ্রদশায় মাদারীপুর থেকে রাজধানী শহরে আসা ফোরকান এখন শতকোটি টাকার মালিক। আগারগাঁওয়ের ফুটপাতে চাঁদাবাজি থেকে শুরু করে টেন্ডারবাজিসহ নানা অপকর্মের অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে।

 

৭ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের সমর্থন পেয়েছেন তোফাজ্জেল হোসেন টেনু। রডভর্তি ট্রাক গায়েব করে দেওয়ার মামলা রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। একসময়ের বিএনপি ঘরানার টেনুর বিরুদ্ধে ওই ছিনতাই মামলাটির তদন্ত করছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজিরও একাধিক অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। ২০০৮ সালের পর দলীয় ক্ষমতা ব্যবহার তিনি অর্থবিত্তে ফুলেফেঁপে ওঠেন।

 

৫ নম্বর ওয়ার্ডে আবারও মনোনয়ন পেয়েছেন আবদুর রউফ নান্নু। সরকারি ও ব্যক্তিমালিকানার  জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। সরকারি গোয়েন্দা সংস্থার একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আবদুর রউফ নান্নু এলাকার মাদক বিক্রেতাদের আশ্রয় দেন।

 

৪ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের দলীয় সমর্থন পেয়েছেন কাফরুল থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি জামাল মোস্তফা। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ না থাকলেও তিনি চরমভাবে বিতর্কিত হয়েছেন তাঁর ছেলে রফিকুল ইসলাম রুবেলের কারণে। এলাকায় মাদক বিস্তারে ভূমিকা রয়েছে তাঁর ছেলের। মাদকসহ একাধিকবার গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন।

 

১০ নম্বর ওয়ার্ডে ক্ষমতাসীন দলের সমর্থন পেয়েছেন আরেক বিতর্কিত ব্যক্তি। ২০০৮ সালে গঠিত দারুস সালাম থানা বিএনপির ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কার্যনির্বাহী কমিটির ৮২ নম্বর সদস্য ছিলেন ওই আবু তাহের। এরপর আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। তবে তাঁর নিকটাত্মীয়রা সবাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ার পর আবু তাহের গুলি করে হত্যা করার চেষ্টা করেন তাঁতী লীগ নেতা শাহজাহানকে। ঢাকা উত্তরের এক প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতার ছত্রচ্ছায়ায় দাপুটে হয়ে ওঠা আবু তাহেরের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক সাধারণ মানুষের জমি দখলের অভিযোগও রয়েছে। ১০ নম্বর ওয়ার্ডকে তিনি তাঁর সন্ত্রাসের রাজত্বে পরিণত করেছেন। মনোনয়নপত্র জমা দিয়েও আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহীরা’ তাঁর ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

 

২৭ নম্বর ওয়ার্ডে সমর্থন পেয়েছেন ফরিদুর রহমান খান ইরান। ফার্মগেট, তেজগাঁও কলেজ, ইন্দিরা রোড এলাকার ‘রাজা’ হিসেবে পরিচিত তিনি। ইরানের রয়েছে এক বিশাল সন্ত্রাসী বাহিনী। কোচিং এলাকা বলে পরিচিত ফার্মগেটের সব কোচিং বাণিজ্যের নিয়ন্ত্রক তিনি। তেজগাঁও কলেজে তাঁর একাধিপত্য। ইরানের ক্ষমতার প্রভাবে তাঁর শ্বশুরকুলের এক আত্মীয় আহসানউল্লাহ পলিটেকনিকের পাশে এক অসহায় মানুষের জমি দখল করে নির্মাণ করেছেন নতুন ভবন।

 

১৩ নম্বর ওয়ার্ডে বিতর্কিত মানুষ হিসেবে পরিচিত এবং গত নির্বাচনে বিদ্রোহী হিসেবে জয় পাওয়া মিঠুকে এবার আওয়ামী লীগ প্রার্থী হিসেবে বেছে নিয়েছে। গত নির্বাচনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর মিঠু তাঁর ভাই বিএনপি নেতা স্বপনকে দিয়ে এলাকার ডিশ, ইন্টারনেট কানেকশন বাণিজ্য দখলে নেন। এলাকার মাদক বিক্রেতাদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

 

দক্ষিণে আওয়ামী লীগের বিতর্কিতরা

 

দক্ষিণের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ফের আওয়ামী লীগের সমর্থন পেয়েছেন আনিসুর রহমান আনিস। বিগত নির্বাচনে কাউন্সিলর হওয়ার পরই তিনি পূর্ব গোড়ান ঝিলের ছয় বিঘা জমি দখলে নিয়ে প্লট আকারে বিক্রি করে দেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তাঁর বর্তমান আবাসস্থল দক্ষিণ গোড়ানের ৪১১/এ নম্বর বাড়িটিও জোর করে দখলে নেওয়া। অভিযোগ রয়েছে, ওই এলাকায় কেউ নতুন ভবন নির্মাণকাজ শুরু করলে সেখানে গিয়ে হাজির হয় হয় ‘আনিস বাহিনী’। এই বাহিনী চাঁদা না দিলে বন্ধ করে দেয় নির্মাণকাজ।

 

৫ নম্বর ওয়ার্ডে সমর্থন পেয়েছেন আশ্রাফুজ্জামান ফরিদ। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ফরিদের ভাগ্নে শাওন তাঁর মামার ক্ষমতা ও আশ্রয়ে এলাকাটি মাদকের রাজ্যে পরিণত করেছেন। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের অভিযোগ, এলাকায় ফরিদের সহযোগী সবাই বিএনপির নেতাকর্মী। ডিশ ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে পুরো এলাকা তাঁর নিয়ন্ত্রণে।

 

২৬ নম্বর ওয়ার্ডে সমর্থন পেয়েছেন হাসিবুর রহমান মানিক। আজিমপুর এলাকার লেগুনাসহ বিভিন্ন পরিবহনের চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। বলা হয়, মানিক বর্তমানে যে বাড়িতে বসবাস করেন ওই বাড়িটি চুক্তিতে একজনের কাছ থেকে নিয়ে আর ফেরত দেননি।

 

২০ নম্বর ওয়ার্ডে মনোনয়ন পেয়েছেন ফরিদউদ্দিন রতন। রাজনীতি ও আর্থিক খাতে এক বিস্ময়কর উত্থান ঘটেছে রতনের। আদি বাড়ি নোয়াখালী হলেও বড় হয়েছেন ফরিদপুরের একটি উপজেলায়। ঢাকায় এসে গভীর সম্পর্ক হয় ইসমাইল হোসেন সম্রাট, জি কে শামীম, খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়াদের সঙ্গে। বাণিজ্য-বেসাতিও ছিল তাঁদের সঙ্গে। সম্রাট-খালেদরা ফেঁসে গেলেও ফাঁকতালে বেঁচে গেছেন রতন।

 

দক্ষিণের ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডে সমর্থন পেয়েছেন আহমদ ইমতিয়াজ মন্নাফী। বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে ময়লা সংগ্রহ বাদ চাঁদা উত্তোলনের অভিযোগ থেকে শুরু করে কাপ্তান বাজারের মুরগিপট্টি থেকে মাসে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে।

 

৫১ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের সমর্থন পাওয়া হাবিবুর রহমান হাবু ট্রাকস্ট্যান্ড উচ্ছেদে বাধাদান করায় সিটি করপোরেশন তাঁকে সাময়িক বহিষ্কার করেছিল। সে সময়ে তিনি কর্তব্যরত ম্যাজিস্ট্রেটকে মারধর করেছিলেন। সায়েদাবাদ এলাকায় পরিবহনে চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে এই প্রার্থীর বিরুদ্ধে।

 

৫৬ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের সমর্থন পেয়েছেন মোহাম্মদ হোসেন। বিস্তর অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। ফুটপাতে দোকান বসিয়ে চাঁদা আদায়, নদীতীরের জায়গা দখল, জোর করে সাধারণ মানুষের জায়গা দখল, এলাকার ডিশ ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ, যানবাহন থেকে মাসিক হারে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে।

 

৭০ নম্বর ওয়ার্ডে সমর্থন পেয়েছেন আতিকুর রহমান। স্থানীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগ, তাঁর আপন ভাই জয়নাল আবেদীন রতন ডেমরা থানা বিএনপির সভাপতি এবং তাঁদের পরিবার হচ্ছে ওই এলাকার আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতনকারী। এ ছাড়া আমলা প্রকল্পে বালু ভরাটের মাধ্যমে এলাকার মানুষের দুর্ভোগের কারণ আতিকুর রহমান।

 

৬৮ নম্বর ওয়ার্ডে সমর্থন দেওয়া হয়েছে মাহমুদুল হাসান পলিনকে। শীতলক্ষ্যা নদীতে নৌযান থেকে চাঁদা আদায় ও অবৈধ বালু ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এলাকার দলীয় নেতাকর্মীদের কাছেও তিনি বিতর্কিত। তাঁর পিতা এম এ লতিফ জাতীয় পার্টির নেতা।

 

৬৯ নম্বর ওয়ার্ডে দলীয় সমর্থন পাওয়া হাবিবুর রহমান হাসুর বিরুদ্ধে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অভিযোগ, তিনি ১৯৮৬ সালের ১৮ জুলাই ওই এলাকায় শেখ হাসিনার জনসভা মঞ্চে আগুন দিয়েছিলেন।

 

আওয়ামী লীগের বিতর্কিত বিদ্রোহীরা

 

ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচিত অভিযানের সময়ে বিদেশে পালিয়ে থাকা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর, যুবলীগ দক্ষিণের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোমিনুল হক সাঈদ স্বদর্পে দেশে ফিরে কাউন্সিলর নির্বাচন করার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। একই সঙ্গে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তাঁর স্ত্রী ফারহানা আহমেদ বৈশাখী। সাঈদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে, তবে নির্বাচন করবেন তাঁর স্ত্রী।

 

ঢাকা উত্তরের ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডে দলীয় সমর্থন না পেয়ে বিদ্রোহী হয়েছেন সাবেক কাউন্সিলর আনিসুর রহমান নাঈম। নিজ এলাকায় দখলবাজি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস সৃষ্টি এবং মসজিদের ওয়াক্ফর অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

 

বিএনপির বিতর্কিতরা

 

ঢাকা উত্তরের ৪৭ ওয়ার্ডে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হেলাল উদ্দিন তালুকদার। তিনি মহানগর উত্তর বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক। বিএনপি জোট সরকারের সময় রাজশাহী-গোদাগাড়ীর সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হকের বডিগার্ড ছিলেন। পুলিশের কনস্টেবল হিসেবে তখন চাকরি করা হেলাল মন্ত্রী আমিনুল হকের কাছ থেকে সুবিধা নিয়ে উত্তরায় জমি কেনেন। মন্ত্রীর ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন মোবাইল কম্পানি থেকে মোট অঙ্কের টাকার ঘুষ নিয়ে চাকরি ছেড়ে উত্তরায় ব্যবসা শুরু করেন।

 

উত্তরের ৫৪ নম্বর ওয়ার্ডে সমর্থন হারুনুর রশিদ খোকা তুরাগ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে তিনি একসময় নেশাগ্রস্ত ছিলেন।

 

উত্তরের ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডের সমর্থন পেয়েছেন মো. আলী আকবর। তিনি দক্ষিণখান থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। এলাকার প্রতিষ্ঠিত জুয়াড়ি হিসেবে তিনি পরিচিত। নিজে জুয়া খেলে পৈতৃক সূত্রে পাওয়া অনেক জমিও নষ্ট করেছেন।

 

জাতীয় পার্টি

 

জাতীয় পার্টির ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী শফিকুল ইসলাম সেন্টুর বিরুদ্ধে রয়েছে নানা অভিযোগ। ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হওয়ার পর আলোচিত হয়ে উঠেন সেন্টু। কলাবাগানে ক্লাবে র‌্যাবের অভিযানে কৃষক লীগ নেতা ফিরোজ আলম গ্রেপ্তার হলে দেশ ছাড়েন তিনি। সিঙ্গাপুরে পালিয়ে থাকার পর জাতীয় পার্টির জাতীয় সম্মেলনের আগে দেশে ফেরেন। মোহাম্মদপুর এলাকায় সন্ত্রাসী বাহিনী লালনের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

সূত্র-কালেরকন্ঠ